A Teacher:An Excellent Tool to all the Changes and Beauties!

A Teacher is nothing but the muster of all the Good Qualities!

One who is a good student, a stream of knowledge! An actor, a singer, a dancer!A candle, a Psychologist, a councellor, a good friend, a gideline, a strength, a source of pleasure, inspiration and love, Afterall a Good Human! All these represents an excellent personality, whom we lovely address a Teacher!

সন্তানের স্বাভাবিক বিকাশ চুলোয় যাক!তাকে অবশ্যই একাডেমিক ভালোপারফরমেন্স করতে হবে। নতুবা অধুনা ভদ্র সমাজে তাঁদের বাবা-মায়ের সম্মানটুকুর শেষ রক্ষা হবে না! স্টুডেন্ট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই আজকে এমন একটা অভিজ্ঞতা হলো!

ভালো রেজাল্ট করতে গিয়ে কোমলমতি

শিশুদের নিতে হচ্ছে মুখস্থ করার বাড়তি

চাপ। যা তাদের মন ও মননে উপর ফেলছে

বিরূপ প্রভাব। পড়াশোনার প্রতি তাদের

অনীহাই তার প্রমাণ। এইভাবেই

সম্ভাবনাময় কিছু ফুল সৌরভ ছড়ানোর

আগেই মুখস্থের চাপে মলিন হয়ে একটা

পর্যায়ে ঝরে পড়ে!

আপনার সন্তান আপনার সম্পদ; তাই ভালো

রেজাল্টের তাড়না না দিয়ে আনন্দ নিয়ে

পড়াশোনা করতে অনুপ্রাণিত করুন। এতে

আপনার ফুলটি পূর্ণ প্রস্ফূটিত হবার সুযোগ

পাবে। আর সাথে ছড়াবে মন মাতানো

সৌরভ!

দেশে কারাগার সম্প্রসারণ বনাম অপরাধীর সংখ্যা হ্রাসকরণ: প্রকৃত কৃতিত্ব কিসে?

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে অপরাধীর সংখ্যা; সাথে বর্ধিত সংখ্যার অভিযোজনের জন্য দেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে কারাগারের সংখ্যাও। সম্প্রতি কারাগার সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে কেরানীগঞ্জে উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে ৪ হাজার বন্দীর ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার। যেখানে দুর্ধর্ষ বন্দী, মানসিকভাবে অসুস্থ এবং কিশোর বন্দীদের জন্য থাকবে আলাদা ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ কারা অধিদপ্তরের হিসেব মতে, সারাদেশে ৬৮টি কারাগার রয়েছে। যার ধারণ ক্ষমতা ৩৪ হাজার ৬শ’ ৮১ জন; কিন্তু কারাগারে বন্দী রয়েছে ৭২ হাজার ৫শ’ ৯২ জন! যা ধারন ক্ষমতার দ্বিগুণের চেয়েও বেশী।
 
দেশে বিরাজমান বেকার সমস্যা, প্রকৃত জীবনশিক্ষার অভাব, পারিবারিক কোন্দল, সম্পত্তির বিরোধ, সমাজ বহির্ভূত সম্পর্ক, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বসহ আরো বহুবিধ কারণে প্রতিনিয়ত ঘটে যাচ্ছে অপরাধ কার্যক্রম। সাথে পরিবর্তিত হচ্ছে অপরাধের ধরণ ও বিস্তৃতি। দেশে উদ্ভূত এমন একটি পরিস্থিতে রাষ্ট্রের দায় কি শুধু কারাগার সম্প্রসারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ? নাকি পর্যায়ক্রমে অন্তর্নিহিত কারণগুলোর প্রতিরোধ ও প্রতিকারের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়া? যা আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
 
দেশে প্রচলিত শিক্ষার মাধ্যমে আমরা কি একজন ভালো মানুষ গড়ার গ্যারান্টি দিতে পারছি? যদি উত্তরটা ‘হ্যাঁ’ হয়; তবে দেশে অপরাধীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে কেন? আর সাথে কারাগার সংখ্যাও?
 
আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট সময়ান্তে সার্টিফিকেট দিচ্ছে ঠিকই; কিন্তু এই সার্টিফিকেটই কি একজন ভালো মানুষের মানদন্ড, কষ্ঠিপাথর—যা দিয়ে ভালো মানুষ যাচাই করা যেতে পারে? মোটেই না। শিক্ষার উদ্দেশ্য যদি একজন ভালো মানুষ গড়ার পরিবর্তে সার্টিফিকেট সর্বস্ব হয়ে পড়ে; তবে সেই শিক্ষা একটি দেশ, একটি জাতি গড়ার ক্ষেত্রে কখনোই ফলপ্রসূ হয় না। তাই অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনতে চাই—জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা তথা জীবনশিক্ষা; যা একজন মানুষকে ভালো মানুষ হতে সহায়তা করবে।
 
আর শিক্ষার মাধ্যমে আমরা যদি একজন সৎ, মেধাবী, দেশপ্রেমিক, নিষ্ঠাবান; সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ গড়তে পারি; তাহলে আশা করা যায়, দেশে অচিরেই অপরাধীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসবে। আর ফলস্বরুপ কারাগার সম্প্রসারণের জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে আর অতিরিক্ত অর্থও খরচা যাবে না।
কারাগার সম্প্রসারণ নয়; বরং অপরাধীর সংখ্যা কমিয়ে আনতে সুশিক্ষার পরেই চাই—সুশাসন, দেশে আইনের শাসনের যথাযথ বাস্তবায়ন। যা কার্যকরভাবে দেশে অপরাধীর সংখ্যা বহুলাংশে কমিয়ে আনতে পারে। একজন অপরাধী যদি রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে সহজেই পার পেয়ে যায়; তবে তার মধ্যে অপরাধ প্রবণতা আরো বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। সাথে তার অনুকরণে দেশে আরো দশ জন অপরাধী তৈরী হবে।
 
আর ফলশ্রুতিতে অপরাধী এবং অপরাধের জাল বহুদূর বিস্তৃতি পাবে। তাই দেশে অপরাধীদের সংখ্যা কমিয়ে আনতে রাষ্ট্রের কান্ডারীদের নিশ্চিত করতে হবে—অপরাধী যে দলেরই হোন না কেন তার যথাযথ সাজা নিশ্চিতকরণ। তবেই দেশে অপরাধীর সংখ্যায় ভাটির টান পড়বে।
 
সুশাসন নিশ্চিতকরণের পরই দেশে অপরাধ কার্যক্রমের লাগাম টেনে ধরার জন্য চাই—দেশে ক্রমবর্ধমান বেকার সমস্যার সুষ্ঠু নিরসন। একজন শিক্ষার্থী দেশের প্রচলিত শিক্ষায় স্নাতক বা স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর যদি চাকুরিদাতাদের স্বজনপ্রীতি, আবার কখনো রাজনৈতিক বঞ্চনার শিকার হয়ে যদি তাঁর রুটি-রুজির সংস্থান না হয়; তবে তাদের অপরাধপ্রবণ হওয়াটা কি স্বাভাবিক নয়? যদিও তা কখনো সমর্থনযোগ্য নয়।
 
স্বাধীনতার পূর্বে পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকবর্গ কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষদের তাঁদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিল; স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ক্ষমতার রদ বদল হয়েছে; কিন্তু অপ্রত্যাশিতভাবে এখনো সেই জাতিগত কোটা পদ্ধতির বঞ্চনা অব্যাহত আছে! যা সুস্পষ্টভাবে চাকুরিক্ষেত্রে চাকুরিপ্রার্থীদের এবং শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যার্থীদের অধিকার হরণ, স্রেফ একটা অন্যায়; যা অসদোপায় তথা বহুমূখী দুর্নীতির পথকে সুগোম করে দেয়।
 
শিক্ষাক্ষেত্রে এবং চাকুরীক্ষেত্রে যেসব অঞ্চল এখনো যথাযথ শিক্ষার সুযোগ হতে পিছিয়ে আছে এবং প্রতিবন্ধীসহ কিছু সুনির্দিষ্ট যৌক্তিক কোটা থাকতে পারে; কিন্তু এর বাইরে যেকোন অযৌক্তিক কোটা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। কারণ মুক্তিযোদ্ধারা তো কোটা পদ্ধতির মাধ্যমে বৈষম্য সৃষ্টি করার জন্য নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেননি। তাহলে কেন এই কোটা পদ্ধতি? কেন এই বৈষম্য? কেন এই বঞ্চনা? এই প্রশ্নগুলোর উওর কি আমাদের সরকার মহোদয় দিতে পারবেন?
যেহেতু আমাদের সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আর অযৌক্তিক কোটা পদ্ধতি যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক; তাই সরকার মহোদয়ের কাছে এই প্রশ্নগুলোর উওর না থাকাটাই স্বাভাবিক। পরিশেষে সরকার মহোদয়ের কাছে আবেদন রাখি, বিদ্যার্থীদের নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করুন; দেশে সুশাসন নিশ্চিত করুন এবং কোটা পদ্ধতির সংস্কারের মাধ্যমে চাকুরিপ্রার্থীদের চাকুরির সুযোগ উন্মুক্ত করুন। তাহলেই আশা করা যায় দেশে অচিরেই অপরাধ কার্যক্রম কমে আসবে আর কমে আসবে অপরাধীর সংখ্যাও। সবশেষে একটি কথা দিয়েই শেষ করব—“কারাগার সম্প্রসারণ নয়; বরং দেশে অপরাধী সংখ্যা কমিয়ে আনার মধ্যেই প্রকৃত কৃতিত্ব।”
 
ফখরুল আবেদীন
ফার্মেসি বিভাগ (চতুর্থ বর্ষ)
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।।
 

কতগুলো ডিগ্রী হলে, একজন ভালো মানুষ হওয়া যায়?

হরলিক্স—বেড়ে উঠার ডোজ, রোজ রোজ 🙂 । ধরুন, হরলিক্সের সাথে আমাদের ল্যাব ট্যেকনিশিয়ান মুনির ভাই কারসাজি কইরা আরো কিছু সুষম খাবার পেলাস করলে। পেলাস করলি পরে কি হবি—আপুনি তা খাইয়া, বোঝলেন, আগের চেয়েও হাইব্রীড বৃক্ষের ন্যায় তরতর কইরা বাইড়া উঠলেন। আপনরা ফেসখানাও এখন মাশাল্লাহ, আগের চাইতেও বেশ ফকফকা! 😉
.
আপনারে দেখলেই এখন চিত্রনায়ক রিয়াজের ‘পড়ে না চোখের পলক’ গানটার কথা মনে পইড়া যায়! 😉 একটু ভেবে বলুন তো, এর কারণ কি? কারণটা হচ্ছে—আপনি এখন শুধু হরলিক্স বয়ই না, বরং মুনির ভাইয়ের স্পেশাল মেনুর তেলেসপাতিতে আপনি এখন কমপ্লেইন বয়! 😉
.
এবার একটু লাইনে আসি, একজন মানুষের মর্ত্যে বাঁচার জন্য কি চাই? উওরটা অনেক সহজ। কিন্তু উওরটা বলার আগে আপনার মনে এক বিচিত্র ভাবনার উদয় হলো! আপনার ইচ্ছে হলো, উওর দেওয়ার আগে ব্যাটাকে একটা দোলাই দিয়া লই, পরে আবার চান্স নাও পাইতে পারি 🙂 তাই যে কথা সেই কাজ, ব্যাটারে বাজখাই গলায় জারি দিয়াই বসলেন,

— “আরে…হাদারাম, এইটাও জানো না! বাঁচার জন্য মানুষের খাবার চাই, খাবার”।

—আরে বাহ্‌! আপনার স্পিকারটা তো মাশাল্লাহ! পেস বোলারের মত উওরটা এমনভাবে ডেলিভারি দিলেন যে, মনে হচ্ছে, এতক্ষণে আমার কানের বারোটা বাইজা গেছে!আর আপনি নির্ঘাত খাই খাই পার্টির সদস্য! যারে দেখলেই হোটেল মালিক ‘স্লালামুলাইকুম, ভাইজান’ বইলাই অন্য পথ দেখাইয়া দেয়  🙂 পাছে আপনি এক বসায় পাঁচ জনের ভাত মাইরা দেয়! 😉
.
আমি আপনার সাথে একমত যে, বাঁচার জন্য একজন মানুষের খাবার চাই। সাথে একটা ছোট প্রশ্ন রাখছি—বাঁচার জন্য কি শুধু খাবারই যথেষ্ট? না। বাঁচার জন্য মানুষের আরো কিছু চাই। আর তা হলো একে অপরের প্রতি সম্মান আর ভালবাসা।যা ছাড়া একজন মানুষ বাঁচতে পারে না। আর সম্মানহীন জীবনকে তো জীবনই বলা চলে না। [এইটুকু পড়েই ভাববেন না যেন, আমি প্রেম বিষয়ক বিশাল বয়ান জাড়তে যাচ্ছি 😛 ]
.
ভালোবাসা আর সম্মান কিন্তু জোর করে পাওয়া যায় না। আমার অন্যের সম্মান আর ভালবাসা পাওয়াটা নির্ভর করে—আমি অন্যের প্রতি কতটা আন্তরিক, ক্ষমাশীল আর ছোটদের প্রতি কতটা স্নেহশীল। ভার্সিটির দু’জন স্টাফ দুপুর অবধি কাজ শেষে একসাথে খেতে বসেছেন। তাঁদের কথপোকথনটা ঠিক এমন ছিল:

— বুইঝলেন ভাই, বাইরের দ্যেশের মানুষগুলা যত বেশী শিক্ষিত হয়, তাঁরা তত বেশি ভদ্র হয়, বিনয়ী হয়, সর্বোপরি একজন ভালো মানুষ হয়। কিন্ত আমাদের দেশে ব্যাপারটা ঠিক উল্টা!

— হ, ভাই ঠিকই কইছেন। আমাগো দ্যেইশে যে যত বেশি শিক্ষিত, ডিগ্রীর সাথে পাল্লা দিয়া সে ততটাই জঘন্য লোক!

কথাগুলো শুনার ইচ্ছে না, কিন্তু পাশে থাকাতে না শুনে উপায় নেই। ভার্সিটির তৃতীয়/চতুর্থ শ্রেণীর এই মানুষগুলো কোন কারণ ছাড়াই এই কথাগুলো কেন বলতে যাবে? হয়তো ঐ উঁচুতলার শিক্ষিত মানুষগুলোর কেউ একজন তাঁদের প্রতি সুবিচার করেনি, তাঁদের সাথে ভালো ব্যবহার করেনি। তাই অবসরে সঙ্গী-সাথীর কাছে চাপা-ক্ষোভ কথার মধ্যেই উগড়ে দিচ্ছে।
.
তাঁদের কথাগুলো শুনে আমার আপনার খুশি না হওয়ারই স্বাভাবিক। ভার্সিটির স্টাফদের এই কথাগুলোই কি বলে দেয় না যে, আমরা অনেক বড় বড় সার্টিফিকেটধারী গড়ছি ঠিকই; কিন্তু প্রচলিত শিক্ষার মাধ্যমে একজন ভালো মানুষ গড়ার ক্ষেত্রে কতটা পিছিয়ে আছি?
.
যে শিক্ষা মানুষের মধ্যে মনুষ্যত্ববোধ জাগিয়ে তোলে না, একজন মানুষকে ভালো মানুষ হতে সহায়তা করে না, বস্তুবাদী আর আত্নকেন্দ্রিক করে তোলে, তা কোন শিক্ষাই নয়। তাই প্রতিটি মানুষের জ্ঞানার্জনের লক্ষ্য হওয়া উচিত—নিছক ডিগ্রী অর্জন নয়; বরং একজন ভালো মানুষ হওয়া  🙂  তবেই একদিকে যেমন সম্মান মিলবে, অন্যদিকে পাওয়া যাবে মানুষের অকৃত্রিম ভালবাসা 🙂

Professor Dr. Abdul Jabbar, a shining personality who was the first to launch Pharmacy education atUniversity of Dhaka, Bangladesh. Then Pakistan was continuously discriminating Bangladesh in all aspects even in Pharmacy education. Lahore University was the first to open Pharmacy education in 1948 after the separation of the then Indian subcontinent in 1947; but only 2-4 students got chance every year. There were only a few Pharmaceuticals companies in the then East Pakistan. Where the lion-portion of necessary drugs was met by imported medicine.

 

Dr. Jabbar dreamt of Bangladesh to be self-reliant in producing necessary pharmaceuticals. In compliance with that aspiration, Dr. Jabbar after the completion of his fellowship in San-Francisco School of Pharmacy, USA in 1961; he strived relentlessly to set up the platform of Pharmacy education in Bangladesh. And he had tried to approve this department of the then Planning Commission. But the proposal was refused for all the times as here lacks qualified teachers to carry out academic activites.

Before approval of this department Dr. Kamal Uddin Khan was the acting Chairman of this nascent department. Who sent some potential students for higher studies. Who later selected as teacher of the department and accelerated the academic activities in full swing. Eventually his long pain striking efforts came true and the Pharmacy Department of Dhaka University started its journey on July 01, 1964. Professor Dr. Abdul Jabbar was selected as the first Chairman of the Pharmacy Department.

A Snap of his Colorful Lifetime:

Professor Dr. Abdul Jabbar was born at Davidwar, Camilla on 21st February, 1921. He was graduated from University of Dhaka in 1945 and then pursued his post graduation from the same University in 1946. He obtained his PhD and Diploma of Imperial College (DIC) in 1953 from Imperial College of Science and Technology, London. He handled many research works on Pharmaceutical Chemistry at celebrated institutes in the USA and UK.

Dr. Jabbar commenced his career as a lecturer of Physiological Chemistry at University of Dhaka in 1947. He was a senior lecturer of Department of Biochemistry, Pharmaceutical Chemistry, and was the Head of the Department of Pharmacy. He was engaged in equipping his students as a qualified Pharmacist till his retirement in 1983. Upon detaching from the department, he was awarded the Honorary Visiting Professorship and in 1984 he was honored as the Emeritus Professor of the Department of Pharmacy, University of Dhaka. He has more than 200 research articles which were appeared in the peer reviewed national and international journals.

He was the founding president of the Pharmaceutical Society of the then East Pakistan. His excellency was outspread in so many domains, that is miraculous. He is an exemplary teacher, researcher, at the same time the headman of the Pharma circles of Bangladesh, social reformer and an affectionate father. Professor Dr. Abdul Jabbar, a legendary personality of this land is ever honoured and made his room in the hearts of Pharmacist of Bangladesh for his noteworthy contribution in Pharmacy education and for this glorious present of pharmaceutical sector of our beloved Bangladesh! Emeritus Professor Dr. Abdul Jabbar died on January 30, 2016. May Allah accept all his righteous deeds and honour him with Jannatul Ferdous!

আজকে একজন হিন্দু বোনকে দেখে খুব অভিভূত হলাম!

ল্যাবে কাজ শেষে ৪ টায় বিআরটিসি বাসে ফিরছিলাম। ভার্সিটির স্টুডেন্টদের একে অন্যের জন্য বাসে সীট রাখার ধরণ দেখেই অনুমান করা যায়—তাদের গলায় গলায় ভাব-বন্ধুত্বের গভীরতা! নিজের নোট খাতার একটি পৃষ্ঠা ছিঁড়ে হলেও বন্ধুর জন্য সীট রাখা যেন ফরজ! কি আর করার, দ্বিতল বাসের দুটো ডেক-ই বন্ধুর জন্য শীট আর খাতাপত্র দিয়ে দখল করা হয়ে গেছে!
.
সীটে বসা আর হলো না। খুব ক্লান্ত ছিলাম তাই অগত্যা অনুমতি নিয়েই অন্যের সীটে বসে পড়লাম। ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল; কারণ যে পেয়ারের বন্ধু বা বান্ধবীর জন্য সীট রাখা হয়েছিল, তারা বোধ হয় বাসে যাওয়ার কথাই ভুলে গেছে! tongue emoticon
.
আমাদের সাধের বিআরটিসি বাসটা গোঁপাল ভাঁড়ের মত ভূঁড়িটা ডানে-বায়ে হেলিয়ে দুলিয়ে নাচিয়ে চলতে লাগল! smile emoticon আধুনিক যুগের মেয়েরা বোরকা পরে তো মুখোশ পরে না। ওনাদের কাছে বোরকা পরাটা ধর্মীয় ব্যাপার আর মুখোশ পরাটা পার্সোনাল ব্যাপার।
.
যদি ব্যাহিক দিক বিবেচনা করি তাহলে বোরকা পরার উদ্দেশ্যই হচ্ছে নিজের সৌন্দর্যকে ঢেকে রাখা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে–একজন মানুষের সৌন্দর্য আসলে কোথায় থাকে? অন্য কোথাও নয়; বরং তাঁর চেহারায়!
.
তাহলে যে বোরকা পরল কিন্তু চেহারা ডাকলো না; বোরকা পরার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য বাদ-ই দিলাম; কিন্তু তাঁর তো সৌন্দর্য ঢাকার বাহ্যিক উদ্দেশ্যই সাধিত হচ্ছে না। এই যুগে পর্দার সংস্কৃতিগুলো এমনভাবে কাস্টমাইজ করা হয়েছে যে, কোন বোন বোরকা পরে মুখোশ না পরাটা ঠিক একটি ঘরের জানালাগুলো বন্ধ করে মূল দরজা বা ফটক খুলে রাখার মতই।
.
যাতে চোর বাবাজি অনায়াসে ঢুকে যেতে পারে। তাই বলছি যারা বোরকা পরে মুখোশটা খোলা রাখে তাঁরা প্রকারান্তরে স্বয়ং নিজেদের প্রতি মানুষরূপী শকুনের কুদৃষ্টি দেওয়ার পথটাই সুগোম করে দিচ্ছে। বোরকা হবে কালো; কিন্তু আধুনিকতার বিষাক্ত বাতাস বোরকাকে করে ফেলছে বাহারী রং ও ডিজাইনের যা সহজেই বিপরীত লিঙ্গের দৃষ্টি কাড়ে।
.
এখন এরূপ চাল-চলন বেশভূষার দরুণ কোন বোন যদি শ্লীলতাহানির শিকার হন; তাহলে এর জন্য দায়ী কে? তিনি নিজেও কি এর জন্য আংশিকভাবে দায়ী নন? তাই চাই সঠিক জ্ঞান এবং দৃষ্টিভঙ্গি আর পর্দার পূর্ণ অনুশাসন মেনে চলা।
.
তো যা বলছিলাম—বাসটা সোনাপুর জিরো পয়েন্ট আসার একটু আগেই লক্ষ্য করলাম—মুখোশ সমেত বোরকা পরা দু’জন বোন খুব কষ্ট করে বাসের স্টীল কাঠামো ধরে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে! লক্ষ্য করলাম, তাদের মধ্যে একজনের হাতে লাল সুতার মতো কি যেন একটা বাঁধা!
.
যতদূর জানি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ধর্মগুরুর আশীর্বাদ স্বরূপ এগুলো হাতে বেঁধে রাখেন। আবার মুসলমানদের মধ্যেও যারা মাজারে আসা যাওয়া করেন, তাঁরাও হাতে বর্ণিল সূতার বেষ্টনী বাঁধেন বলে লোক মুখে প্রচলিত। তবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই যে শুধু লাল সূতোর বেষ্টনী বাঁধেন বলে জানতাম।
.
তো ঐ দু’জন বোরকা পরা বোনের একজনের হাতে ঐ বেষ্টনী, আবার মুখোশ পরা দেখে খুব কৌতূহল জন্মালো। বাসে জিজ্ঞেস করতে পারছিলাম না। কারণ সহযাত্রীদের দৃষ্টিভঙ্গী ভিন্নখাতে প্রবাহিত হতে পারে। তো কি আর করার, ছটজলদি বাস থেকে নেমে জিজ্ঞেস করলাম—আচ্ছা, আপনার হাতে যে একটা লাল সূতোর বন্ধনী দেখলাম, আমাকে একটু বলবেন, এটা কি আর কেন-ই বা ব্যবহার করা হয়?
.
শুনেই মেয়েটি একটু ইতঃস্তত বোধ করল।তারপর আমি নিজেই সন্দেহের ব্যাপারটা পরিষ্কার করলাম। বললাম, আসলে আমি যতদূর জানি আমাদের হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাইয়েরাই কেবল এরূপ লাল সূতোর বন্ধনী ব্যবহার করে! কিন্তু আপনাকে মুখোশ সমেত বোরকা পরা দেখে আমার মুসলিম বোন বলে মনে হলো।
.
কিন্তু হাতে আবার লাল সূতোর বন্ধনীটা দেখে-ই আমি দ্বিধান্বিত হয়ে পড়লাম। মুসলিম বোন হলে আবার লাল সূতোর বন্ধনী কেন? তারপর ঐ বোনই স্ব ইচ্ছায় বলল—ভাইয়া, আমি হিন্দু! আমি যেতে যেতে ভাবলাম—একটা হিন্দু বোন তার শ্রেষ্ঠ সম্পদ সৌন্দর্য পর পুরুষের নজর এড়িয়ে চলার জন্য বোরকা পরে বের হচ্ছে।
.
কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্যি, আমাদের মুসলিম বোনদের বেশভুষ চাল-চলন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দেখলেই মনে হতে পারে, এই যেন রূপের প্রদর্শনী! সবার কথা বলব না; তবে সিংহভাগই যেন নিজেদের মেলে ধরার এক অসুস্হ প্রতিযোগীতায় নেমেছে!
.
আল্লাহর ফরজ পর্দার বিধান যে এখন তাদের একান্তই ‘পার্সোনাল’ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে! এরা আবার নিজেরাই নিজেদের ধর্মীয় সুপন্ডিত ভাবে! বড়ই হাস্যকর!
তাজ্জব বনে যাই এদের কথা শুনে!
.
যারা আল্লাহর বিধানের বিষয়ে খামখেয়ালি করে; নিজেদের সাথে শত যুবকেও ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে; আল্লাহ তাঁদের সাথে আমাদেরকেও দ্বীনের সুঠিক জ্ঞান দিক, যেন বাহ্যিক এবং মনের পর্দা নিশ্চিত করে নিজেদের তাকওয়া, ফরহেজগারি এবং পবিত্রতা বজায় রাখতে পারি…আমীন

আমি প্রায়শই কারো জন্মদিনে উইশ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখি।কারণ জীবন থেকে একটি মূল্যবান বছর চলে যাওয়াটা কারো কাছে কখনোই আনন্দের হতে পারে না. . .।
মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদই হচ্ছে তাঁর জীবন বা আয়ুষ্কাল যা এক টুকরো বরফ খন্ডের মতোই অবিরত গলে যাচ্ছে! আমার কাছে জীবনটা একটি শঙ্কুর মত; আর আমি এক সেকেন্ড, দু সেকেন্ড করে ক্রমেই তার শীর্ষের দিকে হেঁটে চলেছি…শীর্ষে পৌঁছলেই আমাকে অন্য একটি জগতে চলে যেতে হবে…। জীবনের একটি বছরান্তে কর্মের হিসেব কষতে গিয়ে প্রায়শই হতাশ হয়ে পড়ি; কারণ পরবর্তী অনন্ত জীবনের জন্য পুঁজি সংগ্রহের দৌড়ে আমি যে ঢের পিছিয়ে আছি! তাই কেউ জন্মদিনে উইশ করলেও আমার মাঝে উচ্ছ্বাস ঢেউ খেলে না; নিস্তরঙ্গই থেকে রয়! বিপরীতে আমিও পরিচিতদের উইশ করতে উত্‍সাহ খুঁজে পাই না।

পরিচিত মুখগুলোর জন্মদিনে উইশ করা থেকে বিরত থাকি ঠিকই কিন্তু তাঁদের প্রতি আমার ভালোবাসা আর তাঁদের মঙ্গলকামনা একটি দিবসের গন্ডিতে বেঁধে রাখিনি…শঙ্খচিলের ডানায় বেঁধে উড়িয়ে দিয়েছি ঐ সুদূর নীলিমায়… 🙂